আফসোস করতেই পারেন মাশরাফি

বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টি-বাগড়া থাকবেই। কিন্তু মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে বৃষ্টির দাপট যেন একটু বেশিই। শেখ জামাল-গাজী গ্রুপ, কলাবাগান ক্রিকেট একাডেমি-প্রাইম ব্যাংকের মতো কলাবাগান ক্রীড়াচক্র-কলাবাগান ক্রিকেট একাডেমির ম্যাচটিও গড়িয়েছে রিজার্ভ ডেতে। কিন্তু সেটিও পুরোপুরি হতে পারল না প্রবল বর্ষণের কারণে। কাল ডাকওয়ার্থ-লুইস (ডি/এল) পদ্ধতিতে মাশরাফির কলাবাগান জিতেছে ২৯ রানে।
আগের দিনের মতো কালও শুরুতেই ধাক্কা খায় একাডেমি। স্কোরবোর্ডে কোনো রান না যোগ হতেই আউট তাপস ঘোষ। মেহেদী হাসান মিরাজ-নুরুজ্জামানের ষষ্ঠ উইকেট-জুটিতে ওঠা ৪০ রানে যা একটু প্রতিরোধ গড়ে একাডেমি। এরপর আবার ২১ রানের মধ্যে পড়ে যায় ৩ উইকেট। নবম উইকেট-জুটিতে নূর হোসেন-নুরুজ্জামান ৩২ রান যোগ করলেও একাডেমির স্কোরটা ভদ্রস্থ হয়নি। ৩৯.২ ওভারে ১২৮ রানেই ইনিংস শেষ। বোলিংয়ে উজ্জ্বলতম নাম আবদুর রাজ্জাক, ২৮ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট।
১২৯ রানের ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ২৩ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে কলাবাগান তুলে ফেলে ৯১ রান। এরপরই শুরু হয় বৃষ্টি, যা খেলা আর শুরুই হতে দেয়নি।
প্রথম তিন ম্যাচেই হেরেছিল কলাবাগান। পরের ৮ ম্যাচের ৬টিতেই জিতেছে। কিন্তু ১২ পয়েন্ট সুপার লিগে ওঠার সম্ভাবনাটাকে শুধু অক্সিজেন দিয়েই বাঁচিয়ে রাখতে পারছে। মাশরাফি বিন মুর্তজার আফসোস হওয়াটাই স্বাভাবিক। প্রাইম দোলেশ্বর ও ব্রাদার্সের বিপক্ষে জিততে জিততে হেরেছে তাঁর দল। ওই দুটি ম্যাচে জিততে পারলে শুধু সুপার লিগই নিশ্চিত হতো না, তাঁর দল থাকতে পারত শিরোপার দৌড়েও!
সংক্ষিপ্ত স্কোর
কলাবাগান সিএ: ৩৯.২ ওভারে ১২৮ (নুরুজ্জামান ৪২, মেহেদী ২২, মাইশুকুর ১৭; রাজ্জাক ৩/২৮, মাশরাফি ২/১৩) কলাবাগান কেসি: ২৩ ওভারে ৯১/৪ (হাসানুজ্জামান ৪৭, তাসামুল ১৭; আবু জায়েদ ২/১৪, নূর হোসেন ১/১৪)
ফল: কলাবাগান কেসি ২৯ রানে জয়ী (ডি/এল)
ম্যান অব দ্য ম্যাচ: আবদুর রাজ্জাক।

Share this

Related Posts

Previous
Next Post »